Tue. Dec 10th, 2019

Jhenaidahnews24.com

ঝিনাইদহ নিউজের অনলাইন ঠিবানা

চুয়াডাঙ্গা কেন্দ্রীয় ট্রাক টার্মিনালঃ কতদূর আর কতদূর”

1 min read

সজীব আকবর, চুয়াডাঙ্গাঃ দেশের দক্ষীণ পশ্চিমাঞ্চলের ভারত সীমান্ত ঘেষা জেলা দেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী চুয়াডাঙ্গা স্বাধীনতার প্রায় অর্ধশতাব্দী বছর ধরেই রয়েছে অবহেলিত। অথচ এই জনপদে শিক্ষা দীক্ষা, সাংস্কৃতি কোনদিক থেকেই পিছিয়ে নেই। এমনকি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধেও এ জেলার গৌরবান্বিত ইতিহাস। এ জেলায় নানাবিধ সমস্যা ঘাটতি ও চাহিদার মধ্যে বর্তমানে প্রধান ও প্রথম দাবী হলো জেলার ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণ ও কার্যক্রম শুরু করা। ” কাজীর গরু কিতাবে আছে গোয়ালে নেই” এই যখন অবস্থা তখন বাংলাদেশ সমাচার’র পক্ষ থেকে আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কর্মরত কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলি।।
এ বিষয়ে জেলা বাস- ট্রাক সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের অন্যতম প্রতিবাদি ও শীর্ষ নেতা মামুন অর রশীদ মামুন বলেন, ” দীর্ঘ ১৬/১৭ বছর যাবৎ চুয়াডাঙ্গা – আলডাঙ্গা সড়কের ছাগল ফার্মের নিকটে জমি অধিগ্রহণ করা হলেও সেখানে শুধু একটি সাইনবোর্ড টানানো ছাড়া কর্তৃপক্ষ দৃশ্যমান কিছুই করতে পারেনি। নির্ধারিত ঐ স্থানের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় পথচারীদের নাকে রুমাল চেপে ধরে হাঁটতে হয়। কারণ এই টার্মিনালের নির্ধারিত স্থানটি এখন জেলার প্রধান ময়লা আবর্জনা ফেলা ভাগারে রুপান্তরিত হয়েছে। যেখান থেকে শুধু দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে তাই নয়। এটা এখন মশা,মাছি,পোকা,মাকড় তৈরির প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে এ বিষয়ে শ্রমিক নেতা মামুন বলেন, প্রতিবার জেলা আইন শৃঙ্খলা মিটিংয়ে বিষয়টি উপস্থাপন করা হলেও শুধু আশ্বাস ছাড়া কিছুই মেলেনি। এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী আয়ুব আলী বিশ্বাস বলেন গত ১৫/ ২০ দিন আগে আমি ঢাকাতে চাহিদা পত্র পাঠিয়েছি। তাতে এ কর্মযজ্ঞ শেষ করার জন্য ২ কোটি টাকার জন্য আবেদন করা হয়েছে। দু কোটি টাকা কি আমাদের চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণীর পৌরসভার তহবিলে নেই”? এ প্রশ্নের উত্তরে নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, দু কোটি টাকা খরচ করার মতো যোগ্যতা বা তহবিল এ পৌরসভার নেই? তিনি আরো বলেন দুকোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেলে ১০০ ট্রাক ধারন ক্ষমতার টার্মিনালটি বাউন্ডারি ওয়াল সহ সম্পন্ন করা সম্ভব। অথচ শ্রমিক নেতারা বলছেন, যদি ঐ স্থানটি আপাতত মাটি ও বালি দিয়ে ভরাট করা যেতো তাহলে শহরের প্রধান সড়কের দু পাশে যত্র তত্র ট্রাক দাঁড় করিয়ে রেখে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির মতো গর্হিত অপরাধ থেকে তারা বিরত থাকতে পারতেন। এ বিষয়ে পৌর মেয়র জিপু চৌধুরীকে পৌরসভায় না পেয়ে তাঁর মোবাইলে ০১.১২.২০১৯ তারিখ বেলা ১১টা ১০ মিনিটে রিং করা হলেও তিনি মোবাইলটি রিসিভ করেননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *